ছোটপর্দায় একসময়ে নিয়মিত দেখা যেত তাঁকে। তবে মাঝে বেশ কয়েক বছর অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন রশ্মি দেসাই। কেন নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন কাজ থেকে? বিরতির সময়ে কী ভাবে সামলেছেন সমালোচনা আর কটাক্ষ? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই অভিজ্ঞতার কথাই জানালেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি একটি নতুন ধারাবাহিকে ফিরেছেন তিনি।
কাজ থেকে বিরতি নেওয়ার প্রসঙ্গে রশ্মি বলেন, “আমি মাঝে তিন-চার বছর কাজ করিনি। একটি গুজরাতি ছবিতে অভিনয় করেছি। জি ফাইভের ‘হিসাব বরাবর’ ছবিতেও কাজ করেছি। কিন্তু খুব বেশি কাজ করতে ইচ্ছে করত না। ছোটপর্দা থেকে কাজের প্রস্তাব এসেছিল। তবে কোনও গল্পের সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারিনি। হয়তো তখন আমি প্রস্তুতও ছিলাম না।”
কেন এমন বিরতি? অভিনেত্রীর বক্তব্য, প্রতিটি কাজের পরে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করার প্রয়োজন অনুভব করেন তিনি। তাঁর কথায়, “অনেক কিছু ভুলে যেতে, নতুন করে শিখতে চেয়েছিলাম। সেই কারণে নানা কর্মশালায় যোগ দিয়েছি, নিজেকে আরও ভাল করে তোলার চেষ্টা করেছি। অভিনেতা হিসাবে পরিশ্রমের শেষ নেই। ছবিতে কাজ করলে নিজের প্রস্তুতির জন্য কিছুটা সময় পাওয়া যায়। কিন্তু ধারাবাহিকে দীর্ঘদিন ধরে একটি চরিত্রের সঙ্গে থাকতে হয়। কখন যে সেই চরিত্র নিজের মধ্যে ঢুকে পড়ে, বোঝা যায় না। তাই অনেক কিছু নতুন করে শিখতে চেয়েছিলাম।”
নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও আক্ষেপ নেই রশ্মির। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “কোনও গল্পের উপর আমার নিজেরই বিশ্বাস না থাকলে দর্শককে কী করে সেই গল্পে বিশ্বাস করাব?” কাজ থেকে দূরে থাকাকালীন সমাজমাধ্যমে নানা কটাক্ষের মুখেও পড়তে হয়েছে তাঁকে। তবে এখন আর সে সব নিয়ে মাথা ঘামান না অভিনেত্রী। বিরতি নেওয়ার পরে নিন্দকেরা বলেছিলেন যে, অভিনেত্রীর কেরিয়ার ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। আর তিনি ফিরতে পারবেন না। রশ্মি এই প্রসঙ্গে বলেন, “আগে মন্তব্য পড়তাম, কখনও কখনও সেগুলো উপভোগও করতাম। কিন্তু গত সাড়ে তিন মাস ধরে আমি আর মন্তব্য পড়ি না। আমার মনে হয়েছে, এর পিছনে অনেক সময় টাকা কাজ করে। কেউ টাকা দিয়ে অন্যকে আক্রমণ করায়।” তবে শুধু নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলেই থামেননি রশ্মি। তাঁর মতে, সমাজমাধ্যমে লাগাতার কটাক্ষের প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে।
কাজ থেকে বিরতি নেওয়ার প্রসঙ্গে রশ্মি বলেন, “আমি মাঝে তিন-চার বছর কাজ করিনি। একটি গুজরাতি ছবিতে অভিনয় করেছি। জি ফাইভের ‘হিসাব বরাবর’ ছবিতেও কাজ করেছি। কিন্তু খুব বেশি কাজ করতে ইচ্ছে করত না। ছোটপর্দা থেকে কাজের প্রস্তাব এসেছিল। তবে কোনও গল্পের সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারিনি। হয়তো তখন আমি প্রস্তুতও ছিলাম না।”
কেন এমন বিরতি? অভিনেত্রীর বক্তব্য, প্রতিটি কাজের পরে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করার প্রয়োজন অনুভব করেন তিনি। তাঁর কথায়, “অনেক কিছু ভুলে যেতে, নতুন করে শিখতে চেয়েছিলাম। সেই কারণে নানা কর্মশালায় যোগ দিয়েছি, নিজেকে আরও ভাল করে তোলার চেষ্টা করেছি। অভিনেতা হিসাবে পরিশ্রমের শেষ নেই। ছবিতে কাজ করলে নিজের প্রস্তুতির জন্য কিছুটা সময় পাওয়া যায়। কিন্তু ধারাবাহিকে দীর্ঘদিন ধরে একটি চরিত্রের সঙ্গে থাকতে হয়। কখন যে সেই চরিত্র নিজের মধ্যে ঢুকে পড়ে, বোঝা যায় না। তাই অনেক কিছু নতুন করে শিখতে চেয়েছিলাম।”
নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও আক্ষেপ নেই রশ্মির। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “কোনও গল্পের উপর আমার নিজেরই বিশ্বাস না থাকলে দর্শককে কী করে সেই গল্পে বিশ্বাস করাব?” কাজ থেকে দূরে থাকাকালীন সমাজমাধ্যমে নানা কটাক্ষের মুখেও পড়তে হয়েছে তাঁকে। তবে এখন আর সে সব নিয়ে মাথা ঘামান না অভিনেত্রী। বিরতি নেওয়ার পরে নিন্দকেরা বলেছিলেন যে, অভিনেত্রীর কেরিয়ার ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। আর তিনি ফিরতে পারবেন না। রশ্মি এই প্রসঙ্গে বলেন, “আগে মন্তব্য পড়তাম, কখনও কখনও সেগুলো উপভোগও করতাম। কিন্তু গত সাড়ে তিন মাস ধরে আমি আর মন্তব্য পড়ি না। আমার মনে হয়েছে, এর পিছনে অনেক সময় টাকা কাজ করে। কেউ টাকা দিয়ে অন্যকে আক্রমণ করায়।” তবে শুধু নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলেই থামেননি রশ্মি। তাঁর মতে, সমাজমাধ্যমে লাগাতার কটাক্ষের প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে।
তামান্না হাবিব নিশু